ভূত বর
দ্বিতীয় পর্ব
#লেখক_সাখাওয়াত হোসেন সাজু
© ভৌতিক গল্প (গল্পটি এডমিনের অনুমতি ছাড়া কোথাও পোষ্ট করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। যদি কেউ এডমিনের অনুমতি ব্যতিত গল্পটি কপি করে কোথাও পোষ্ট করে, তাহলে সে “অমানুষ” ও চোর বলে গন্য হবে। কথাগুলো আপনাদের কাছে খারাপ লাগতে পারে, তাই দুঃখিত! কথাগুলো শুধুমাত্র চো-রদের উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে। যাদের কাজই অন্যের গল্প কপি করে পোষ্ট করা)নিত্য-নতুন গল্প পড়তে আমাদের website ফলো করে পাশেই থাকুন।
গল্পের শুরু এখান থেকে 👇👇
কে জানে এখন সাজু তার কোন বন্ধুর সাথে আড্ডা দিচ্ছে। এভাবে আরো কয়েক ঘন্টা কেটে যায়। কিন্তু সাজুর কোনো খবর নেই। নিলা অন্তরার পাশে বসে আছে। অন্তরা মন খারাপ করে কান্না করতে থাকে। প্রত্যেকটা মানুষই এই রাতটি কতো মধুময় সময় কাটায়। আর তার বেলায় কিনা বাসর রাতে তার স্বামী নিরুদ্দেশ হয়ে গেছে। এসব ভেবে সে কান্না করতে থাকে। নিলা তাকে সান্তনা দেয়। ভাবি আপনি কান্না করবেন না। ভাইয়া চলে আসবে। হয়তো ভাইয়া আপনাকে কোনো বড়সড় সারপ্রাইজ দেবে। তাই তো সে এতো রাতে বাহিরে গেছে। মাহমুদা কান্না করতে করতে বলে আমি চাই না এরকম সারপ্রাইজ। সে নিলাকে জড়িয়ে ধরে কান্না করতে থাকে। তার মনে নানা দুশ্চিন্তা কাজ করতে থাকে। নিলা আবারো বলতে থাকে ভাবি আপনি শান্ত হোন। ভাইয়া চলে আসবে।
অন্তরার অপেক্ষার প্রহর যেন শেষ হয়না। নিলাও তার রুমে গিয়ে শুয়ে পরে। অন্তরা বসে থাকতে থাকতে একসময় সে ঘুমিয়ে পরে। সকালবেলা তার ঘুম ভাঙ্গে। নিলা এসে বলতে থাকে ভাবি ভাইয়াকে খুঁজে পাওয়া গেছে। অন্তরা জিজ্ঞেস করে তোমার ভাইয়া কোথায় ছিল? নিলা বলে
__ভাইয়াকে সেই রেইন্ট্রি কড়ই গাছের নিচে পরে থাকতে দেখা গেছে।
__বলো কি! তার মানে সে সারারাত রেইনট্রি গাছের নিচেই ছিল।
অন্তরা দৌড়ে গিয়ে দেখে, সেখানে সবাই ভির করেছে। কেউ সাজুর মাথায় পানি ঢালছে। কিছুক্ষণের মধ্যে সাজু চোখ খোলে। সে জিজ্ঞেস করে আমি কোথায়? অন্তরা গিয়ে সাজুকে জড়িয়ে ধরে। তুমি সারারাত কোথায় ছিলে? জবাবে সাজু বলে আমি যখনই রেইন্ট্রি কড়ই গাছের ডালটি কেন এভাবে ভেঙ্গে পরেছে এটা দেখার জন্য রাতের বেলা এ জায়গাটায় এসেছিলাম। তখনই দেখি গাছতলায় কেউ নেই। আমি আসতেই যাচ্ছিলাম তখনই কেউ একজন আমাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়।
তারপর আর কিছু আমার মনে নেই। সেখানে থাকা উপস্থিত সবাই মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনতে থাকে। অন্তরা বলে তুমি জানো না তোমার জন্য আমি কতোটা চিন্তিত ছিলাম। এক সময় সাজুকে ধরে ঘরে আনা হয়। কেউ কেউ বলছে এটা শয়তানের কাজ। আবার কেউ কেউ বলছে এটা জীনের কাজ।
লোকমুখে এসব কথা শুনে অন্তরা ভয় পায়। আস্তে আস্তে সাজু স্বাভাবিক হয়। তবে তাদের জীবন থেকে বাসর রাতটা চলে গেল। এ নিয়ে এখন কারো মাথা ব্যাথা নেই। সাজুকে পাওয়া গেছে এটাই অনেক।
সাজু খুবই অবাক হয়। কেননা অন্তরা তাকে কতো কেয়ার করছে। সে অন্তরার মতো সুন্দরী ও মিষ্টি বউ পেয়ে অনেক খুশি। দিনের বেলা তারা অনেক গল্প করে। কিন্তু রাতে ঘটে যাওয়া ঘটনার কথা মনে পরলে অন্তরা ভয় পেয়ে যায়। যে মেয়েটা এতো ভিতু। একা থাকতেও ভয় পায়। তার সাথেই কিনা ঘটে গেল এমন একটি ঘটনা। সাজু কোনো কাজে বাজারে যায়। তখন সাজুর ছোটবোন নিলা এসে অন্তরার কাছে বসে গল্প করে। একসময় নিলা তাদের বাড়িতে ঘটে যাওয়া ছোট_খাটো ঘটনার বিবরন শোনায়।
নিলা বলতে থাকে ভাবি জানেন না তো আমাদের বাড়িতে অনেকের সাথে অনেক কিছুই ঘটেছে। এই তো সেদিন আমার চাচি ঘর থেকে বের হলে দেখতে পায় পুকুরে কেউ একজন ডুবে আছে। মানে লোকটার দেহ পুরোটা পানির নিচে। শুধু লোকটির মাথাটা ভেসে আছে। এটা দেখে আমার চাচি প্রথমেই ভেবেছিল এটা হয়তো কোনো চো_র হবে হয়তো। তাই সে বাড়িতে এসে চাচাকে সাথে নিয়ে পুকুরপাড়ে নিয়ে যায়। আর পুকুরপাড়ে গিয়ে দেখে পানিতে কেউই নেই। তখন আমার চাচা রেগে গিয়ে চাচিকে অনেক কথায় শোনায়। বলে তোমার মাথা গেছে।
এখানে তো কেউই নেই। চাচি ভাবে এতো অল্প সময়ের মধ্যে লোকটি পুকুর থেকে উঠে পালাতে পারবে না। চাচি বলে খুঁজে দেখো হয়তো লোকটা পুকুরে কোথাও লুকিয়ে আছে। চাচা রেগে বলতে থাকে তুই ঘুমের ঘুরে কি না কি দেখেছিস। ঠিক তখনই পুকুর থেকে পাখা ঝাপটিয়ে বিশালদেহি কিছু একটা উড়ে চলে যায়। এটা দেখামাত্রই দুজনেই ভয় পেয়ে যায়। কি ছিল এটা! তারা দুজনই ভয়ে বাড়িতে চলে আসে। পরদিন ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পরে। এরপর থেকে রাতের বেলা কেউ ঘর থেকে বের হলাম ভয়ে ভয়ে বের হয়। অন্তরা অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে নিলার ঘটনার বিবরন শুনছে।
অন্তরা নিলাকে জিজ্ঞেস করে আচ্ছা এই বাড়িতে এতো কিছু ঘটেছে। তুমি কি কোনোদিন এসব ভূত দেখেছো? জবাবে নিলা বলে না ভাবি আমি এখন পর্যন্ত কিছু দেখিনি। তবে রাতের বেলা আমারও কিছুটা ভয় লাগে। তখনই সাজু বাড়ি ফিরে। সে নিলাকে ধমক দিয়ে বলতে থাকে তোর ভাবিকে এসব বলতে গেলি কেন! জানিস তোর ভাবি অনেক ভিতু। যখন আমি চাকরি করতে শহরে চলে যাবো তখন তোর ভাবি বাড়িতে একা ভয় পাবে তো। তাই বলছিলাম কি তুই তাকে এসব কথা বলবি না। নিলা বলে ভাইয়া তুমি কোনো চিন্তা করো না। তুমি শহরে চলে গেলে ভাবিকে আমি দেখে রাখবো। তখন তো ভাবি আমার সাথেই থাকবে।
হয়েছে এখন তুই গেলি এখান থেকে। নিলা চলে গেলে তারা দুজনে বসে গল্প করে। অন্তরা বলে এই শোনো তোমাদের বাড়িতে এতোকিছু ঘটেছে তাহলে এগুলো আমাকে আগে কেন বলোনি? সাজু বলে আরে বাদ দাও তো এসব কথা। গ্রামের মানুষগুলোও কেমন সরল সোজা। তুমিই বলো বাস্তবে ভূত প্রেত বলতে কিছু হয় নাকি! অন্তরা বলে তা আমি জানিনা। তবে আমি এসবে খুব ভয় পাই। আর রাতের বেলা তো কথায় নেই। সাজু বলে ঠিক আছে তুমি এসব ভেবে একদমই ভয় পাবে না। অন্তরা মন খারাপ করে বলতে থাকে তুমি শহরে চলে গেলে আমি একা একা কিভাবে থাকবো? সাজু বলে__
__ আমি শহরে চলে গেলে নিলা আছেনা। সেই তোমার সাথে থাকবে।
__অন্তরা বলে সেটা বলছি না। তোমার থেকে আলাদা হয়ে আমার থাকতে অনেক কষ্ট হবে।
__তুমি কোনো চিন্তা করো না। আমি সময় পেলেই তোমাকে দেখে যাবো।
__তা বুঝলাম। আর তোমার বোন নিলা কতোদিনই বা থাকবে। তার বিয়ে হয়ে গেলে সে অন্যের বাড়ি চলে যাবে। তখন আমার সাথে কে থাকবে।
__আরে এতো ভাবলে হয় নাকি। তুমি কোনো চিন্তা করো না। নিলার বিয়ে হয়ে গেলে সমস্যা নেই। আমি চাই তুমি খুব তারাতারি মা হও। তারপর থেকে আমাদের সন্তানই তোমার দেখভাল করবে।
___এখনি সন্তান!
__কেন নয়। সবাই তো বাবা ডাক শুনতে চাই। আমি দ্রুত বাবা ডাক শুনতে চাই। আর তুমি হবে আমার সন্তানের মা।
সাজুর এসব কথা শুনে অন্তরা হাসে। আচ্ছা ঠিক আছে এখন বাদ দাও এসব কথা। সাজুর মা সাজুকে ডাকতে থাকে। কই গো বউমা একটু এদিকে আসো তো। চুলায় ভাত বসানো আছে। একটু দেখো তো। আমি একটু পাশের বাড়ি যাচ্ছি। অন্তরা চুলার কাছে যায়। যদিও রান্নার কাজ সে ভালোই পারে। তবুও এই সময়টাতে সাজুকে রেখে রান্নাঘরে তার কিছুতেই ভালো লাগছে না। তখনই নিলা এসে বলে আরে ভাবি আপনি এখানে কেন! আপনি এখানে থেকে যান তো আমি দেখছি। নিলাকে ধন্যবাদ জানিয়ে অন্তরা সাজুর কাছে যায়।
সাজু বলে কি বেপার চলে আসলে যে।
__নিলা আমাকে পাঠিয়ে দিয়েছে।
__আচ্ছা শোনো, নানি বাড়ি থেকে খবর এসেছে। নানি বেশি অসুস্থ। তাই একটু দেখতে যাবো। ততক্ষণ তুমি নিলাকে নিয়ে গল্প করো।
__আচ্ছা তোমের ফিরতে কতক্ষণ লাগবে?
__এই তো বেশি রাত হবে না। যাবো আর দেখে চলে আসবো।
__ ঠিক আছে তারাতারি আসবা কিন্তু। আমার ভয় লাগে।
__আরে তুমি শুধু শুধু ভয় পাচ্ছো কেন? নিলার সাথে গল্প করতে থাকো।
সাজু চলে গেলে মাহমুদা রান্নাঘরে নিলার কাছে যায়।
__একি ভাবি ভাইয়াকে রেখে এখানে আসলেন যে।
__তোমার ভাইয়া তোমার নানিকে দেখতে গিয়েছে।
__ঠিক আছে ভাবি আপনি এখানে বসুন। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই রান্না শেষ হয়ে যাবে। একসময় রান্না শেষ হলে তারা ঘরে যায়।
অন্তরা নিলার রুমে বসে নিলার সাথে গল্প করছে। নিলা মেয়েটাও খুবই মিশুক। তাই নিলার সাথে গল্প করে অন্তরারও বেশ ভালো লাগছে। রাত তখন এগারোটা বাজে। এতোক্ষনে নিলা ঘুমিয়ে পরেছে। তবে অন্তরা বসে নিলার ঘরে থাকা একটা বই পড়ছে। তখনই সাজু আসে। সে এসেই অন্তরাকে ডাকে। অন্তরা নিলাকে ডেকে সে তার রুমে যায়। নানি কেমন আছেন জানতে চাইলে সাজু বলে নানির অবস্থা বেশি ভালো না। উনি মনে হয় বেশি দিন বাঁচবে না। সাজু আর কথা না বাড়িয়ে বিছানায় শুয়ে পরে।
নিলা সাজুর পায়ের জুতোজোড়া খুলে দেয়। এই তুমি ঠিক আছো তো? সাজু কোনো কথা বলে না। সে চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে। অন্তরা আবারো জিজ্ঞেস করে এই শোনো তোমার শরীর ঠিক আছে তো? আর ঠিক তখনই সাজু চোখ খোলে। এই তুই কিন্তু বেশি কথা বলছিস! মেয়ে মানুষের এতো বেশি কথা মানায় না। হঠাৎই সাজুর মুখে এরূপ কথা শুনে অন্তরা ভয় পেয়ে যায়। কি বেপার তুমি আমার সাথে এমন করে কথা বলছো কেন? সাজু বলে দেখ আমার মুখে মুখে তর্ক করিস না। সাজুর আচরন অন্তরার কাছে ভালো লাগেনি। সে বলতে থাকে এই তোমার হঠাৎই কি হয়ে গেল। তুমি তো আমাকে সবসময়ই তুমি করে ডেকেছো। এখন হঠাৎই তুই করে বলছো কেন?
সাজু উঠে বসে। দেখ মেয়ে কথা কম বলবি। আর মেয়ে মানুষ আমার কাছে খুবই তুচ্ছ। আমি মেয়েদেরকে তুমি বলে ডাকি না। তোকেও তুমি বলে ডাকতে পারবো না। তোরা তো আমাদের সমতুল্য নয়। তোরা নারী জাতি। তোরা আমাদের লেভেলে নেই। তোদের মতো মেয়েদের জন্মই হয়েছে আমাদের মতো পুরুষের সেবা করার জন্য। তোরা সব দিক থেকেই আমাদের থেকে কমজুর। তাই তো তোকে আমি তুই করে বলছি। আর তুই তো আমার সেবা করার জন্য এসেছিস। এই মুহুর্তে আমারা পা টিপে দে বলছি। সাজুর এরূপ আচরন অন্তরাকে ভাবাচ্ছে। কতো আশা নিয়ে সে সাজুকে বিয়ে করে এই বাড়িতে বউ হয়ে এসেছে।
এখন সাজু তাকে এভাবে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য ও অবহেলা করছে। সাজু একটা ধমক দিয়ে বলতে থাকে এই মেয়ে কি হলো আমার পা টিপে দে। সাজু চমকে উঠে। সে সাজুর এরকম অস্বাভাবিক আচরন দেখে সত্যিই ভয় পেয়ে যায়। সে দৌরে পাশেই নিলার ঘরের সামনে চলে যায়। বারবার সে নিলার রুমের দরজায় নক করছে। কিন্তু নিলা তখনও ঘুমিয়ে আছে। ততক্ষণে সাজু অন্তরার পেছন পেছন আসে। কোনোকিছুই না বলে সে অন্তরার চু*লে*র মুঠিতে ধরে টানতে টানতে তার রুমের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। অন্তরা ভয়ে চিৎকার করতে থাকে। কে আছো আমাকে এই শয়তানটার হাত থেকে বাঁচাও। ততক্ষণে নিলার ঘুম ভেঙ্গে যায়। নিলা দৌড়ে গিয়ে অন্তরার কাছে যায়। একি ভাবি আপনার এই অবস্থা কেন! তখন সাজু চোখ বড় করে নিলার দিকে তাকায়।
অন্তরা বলে দেখো না নিলা তোমার ভাইয়া আমার সাথে কেমন যেন করছে। সাজু তখনও অন্তরার চু*লে*র মুঠিতে ধরে আছে। নিলা বলে ভাইয়া তুমি ভাবির সাথে এসব কি করছো। ভাবিকে ছাড়ো বলছি। ভাবিকে ছারো। সাজু নিলাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। তখনই নিলা চিৎকার করে বলতে থাকে কে কোথায় আছো। তারাতারি এখানে আসো। নিলার চিৎকারে সেখানে অনেকেই চলে আসে। ততক্ষণে সাজু অন্তরাকে ছেড়ে দেয়। অন্তরা সাজুর হাত থেকে ছাড়া পেয়ে দৌরে নিলার কাছে চলে যায়। সে বলতে থাকে আমি এর কাছে থাকবো না। এ আমার স্বামী নয়। আমার স্বামী আমাকে অনেক ভালোবাসে। নিলাও বলতে থাকে হ্যাঁ তোমরা সবাই আমার কথা বিশ্বাস করো এ আমার ভাইয়া নয়। আমার ভাইয়া তো কোনোদিনই আমার গায়ে হাত তুলেনি। ভাইয়া সবসময়ই আমাকে আদর করেছে। তোমরা এর থেকে দুরে থাকো। এ কোনো মানুষ নয়। অন্তরা ভয়ে ভয়ে নিলার সাথে দাড়িয়ে আছে।
যেই অন্তরা এতোদিন ফোনে কথা বলে সাজুর সম্পর্কে অনেককিছুই জেনেছে। আজ হঠাৎই ছেলেটার কি হয়ে গেল! সাজুর মা তার কাছে গেলে সাজু চোখ বড় করে বলতে থাকে সাবধান আমাকে জ্ঞান দিতে আসবি না বলছি। তোরা নারী জাতি। তোদের চেয়ে আমার জ্ঞানের পরিধি অনেক উর্ধ্বে। সাজুর মুখে এসব কথা শুনে সেখানে থাকা সবাই ভয় পেয়ে যায়। হঠাৎই আনোয়ার মাথা ঘুরিয়ে সেখানেই পরে যায়। সাজুকে মাটিতে পরে যেতে দেখে অন্তরা দৌড়ে গিয়ে তাকে ধরে। একটুর জন্য সাজুর কিছুই হয়নি। অন্তরা সময়মতো না ধরলে তার বড়সড় ক্ষতি হয়ে যেতো। সাজুকে ধরে রুমে নেওয়া হয়। তার মাথায় কিছুক্ষন পানি ঢালতেই তার জ্ঞান ফিরে। সে চোখ মেলে তাকাতেই অন্তরার মুখে হাসি দেখা যায়। তোমার কিছু হয়নি তো। সাজু অন্তরার একটা হাত শক্ত করে চেপে ধরে বলতে থাকে প্রিয়তমা আমার কিছুই হয়নি।
চলবে..
(গল্পটির পরবর্তী অংশ আসবে আগামীকাল রাত ঠিক নয়টায়)
গল্পটি আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে,তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। গল্পটিতে সবার কমেন্ট আশা করছি। আপনার একটা কমেন্টই ভৌতিক গল্পকে নতুন গল্প লিখতে উৎসাহীত করবে। আমরা সবার কমেন্টই পর্যবেক্ষণ করে থাকি। আর একটা কথা, আপনার আশেপাশে পরিচিত যারা ভৌতিক গল্প পড়তে পছন্দ করে। তাদেরকে ভৌতিক গল্পে আমন্ত্রন করে গল্পগুলো পড়ার সুযোগ করে দিন। যাতে তারাও গল্পগুলো পড়তে পারে। সবাইকে ভৌতিক গল্পের বেপারে জানান ও ভৌতিক গল্প পড়তে উৎসাহিত করুন। তাতে আমরা আপনাদের প্রতি চির-কৃতজ্ঞ থাকবো।
প্রকাশ : ০২মে ২০২৪, বৃহস্পতিবার


0 Reviews:
Post Your Review