হঠাৎই বাড়ি থেকে ফোন এলো। ফোন ধরতেই জানতে পারি পাশের বাড়ির ছোট বাচ্চাটিকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এলাকার মানুষ তন্নতন্ন করে বাচ্চাটিকে খুঁজেছে। কিন্তু এতো খোঁজার পরও বাচ্চাটিকে কোথাও পায়নি। অবশেষে মাইকিং করা হয়। তাতেও ছোট্ট বাচ্চাটির খুঁজ মেলেনি। বাচ্চার মা বাবা তো বাচ্চাকে না পেয়ে পাগলপ্রায়। তাদের কান্না দেখে যে কারো চোখে পানি চলে আসবে। হয়েছেও তাই। সবারই চোখে পানি দেখা যায়। এইটুকু ছোট্ট বাচ্চাটি যে কিনা সবেমাত্র হাটা শিখেছে। বাচ্চাটি একটু একটু দৌড়াতেও পারতো তবে সে পরে যেতো। দেখতেও খুবই সুন্দর ছিল। পরক্ষণেই ফোন আসলে জানতে পারি বাচ্চাটিকে নাকি পাওয়া গিয়েছে। তবে বাচ্চাটির নি*থ*র দেহটা পাওয়া গেছে। বাড়ির কাছেই তিনটা পুকুর পেরিয়ে শেষপ্রান্তে থাকা পুকুরে ভেসে আছে বাচ্চাটির নি*থ*র দেহ। দেরি না করে কয়েকজন পানিতে ঝাপিয়ে পরে। তবে সেখানে পানি খুবই কম ছিল। বাচ্চাটির মাথা মাটিতে কাদার ভেতরে পুঁ*তে রাখা ছিল। আর দেহের অবশিষ্ট অংশ পানিতে ভাসছিল। ঘারটাও ভে*ঙ্গে আছে। বাচ্চাটির এরুপ মৃত্যু দেখে অনেকেই বলছে এটা নাকি খারাপ কিছু করেছে। কেউ বলছে এটা শয়তানের কাজ(আঞ্চলিক ভাষায়)।কেউ বলছে এতো ছোট্ট বাচ্চাটি তিনটা পুকুর পেরিয়ে এই শেষের পুকুরে আসলো কিভাবে। যতোটুকু শুনেছি বাচ্চাটিকে তার মা বাবা সসবসময়ই চোখে চোখে রেখেছে। কখনোই আলাদা হতে দেয়নি। তবে অনেকে এটাও বলছে এই বাচ্চাটির নাকি পানির প্রতি অন্য রকম আকর্ষণ ছিল। ছোট্ট নিশ্পাপ বাচ্চাটির এরুপ মৃত্যু দেখে সবার হৃদয় শোকে ভরে উঠেছে। জানিনা বাচ্চাটির মা বাবা এই শোক কিভাবে সামলে উঠে।
No comments:
Post a Comment