Md Sazu Mia - Md Sazu Mia
SUBTOTAL :

Follow Us

Md Sazu Mia

Md Sazu Mia

Short Description:

Product Description


[5:53 AM, 4/26/2024] Md Sazu Mia: কালোজাদু

তৃতীয় পর্ব

#লেখক_সাখাওয়াত হোসেন ( সাজু)


© ভৌতিক গল্প  (গল্পটি এডমিনের অনুমতি ছাড়া কোথাও পোষ্ট করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। যদি কেউ এডমিনের অনুমতি ব্যতিত গল্পটি কপি করে কোথাও পোষ্ট করে, তাহলে সে “অমানুষ” ও চোর বলে গন্য হবে। কথাগুলো আপনাদের কাছে খারাপ লাগতে পারে, তাই দুঃখিত! কথাগুলো শুধুমাত্র চো-রদের উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে। যাদের কাজই অন্যের গল্প কপি করে পোষ্ট করা)নিত্য-নতুন গল্প পড়তে আমাদের পেইজটি ফলো করে পাশেই থাকুন।


গল্পের শুরু এখান থেকে 👇👇

ফাহিম ও জেরিন, তারা দুজনেই বাড়ি চলে যায়।

ফাহিম ভেবে পায় না। তার সাথে কি ঘঠছে এসব। নাকি সে স্বপ্ন দেখছে। বিকেল বেলা সে জেরিনের সাথে দেখা করার জন্য বেরিয়ে পরে। সেই বকুল তলায় গিয়ে দেখে। জেরিন একটা নীল শাড়ি পরে দাড়িয়ে আছে। ফাহিম জেরিনকে নীল শাড়িতে দেখে অবাক হয়। হায়রে_হায় একটা মেয়ে শাড়ি পড়লে এতো সুন্দর লাগে। তা জেরিনকে  আগে তো কখনোই শাড়ি পড়া অবস্থায় দেখেনি। মনে হচ্ছে তার সামনে একটা জল_জ্যান্ত একটা পরি দাড়িয়ে আছে। ফাহিম তো সবার সামনেই বলেই ফেলে আহা আমার পরিটা যে শাড়িতে এতো সুন্দর দেখতে তা আগে জানা ছিল না। জেরিন বলে থাক হয়েছে। তুমি একটু বেশিই বলে ফেলছো। ফাহিম জেরিনকে পাশে বসিয়ে বলে, জেরিন তুমি কি গতোরাতে আমাদের বাড়িতে এসেছিলে? জেরিন বলে কোথায় নাতো, আমি তো তোমাদের বাড়ি পর্যন্ত চিনি না।


ফাহিম বলে তাহলে আমি গতরাতে আমার রুমে কাকে দেখেছি? জেরিন বলে তুমি তো সবসময়ই আমাকে বেশি বেশি ভাবো। হয়তো এটা তোমার মনের ভূল। ফাহিম আর কিছু বলে না। জেরিনের হাতে হাত রেখে কিছুক্ষণ তারা দুজন গল্প করে। একসময় সন্ধ্যা  হয়ে আসে। জেরিন বলে আমাকে এখন উঠতে হবে। সন্ধ্যা হয়ে গেল আমাকে বাড়ি ফিরতে হবে। ফাহিম বলে শুনো আজ তুমি আমাদের বাড়িতে যাবে। তোমাকে মায়ের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো। জেরিন বলে না আজ না। আরেকদিন যাবো। ফাহিমের অতিরিক্ত জোড়াজুড়িতে জেরিনও আর না করতে পারে না। ঠিক আছে চলো তাহলে।


ফাহিম বলে তুমি কোনো চিন্তা করো না। পরে আমি তোমাকে তোমার বাড়ি পৌছে দেবো। ঠিক আছে বলে জেরিন মাথা নাড়ে। তারা দুজন একটি রিক্সায় চড়ে ফাহিমের বাড়ি পৌছে যায়। ফাহিম জেরিনকে সাথে নিয়ে বাড়ির দিকে যাচ্ছে। পাশের বাড়ির কুকুড়গুলো জেরিনকে দেখে বেপরোয়া হয়ে উঠে। জেরিনের দিকে তেড়ে আসে। আর জেরিনও ভয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে।ফাহিম বলে আরে ভয় পেওনা তুমি। এসব কুকুর কামড়ায় না। তোমাকে কিছুই করবে না। জেরিনও কুকুর দেখে রাগান্বিত হয়ে যায়। একসময় তারা বাড়ির ভেতর পৌছালে ফাহিমের ছোট বোন আসে। ফাহিম পরিচয় করিয়ে দেয়। ইনিই হবে তোর ভাবি।


তার ছোট বোন বলে দাড়াও ভাইয়া ,আমি পাশের বাড়ি থেকে মাকে ডেকে আনছি। তোমরা ভেতরে যাও।এফাহিম জেরিনকে তাদের থাকার ঘরে নিয়ে যায়। জেরিন কিছু বলে না চুপ করে আছে। একসময় তার মা আসলে ফাহিম জেরিনকে তার মায়ের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। ফাহিমের ছোট বোন বলে মা এই দেখো ভাইয়া তো আমাদের ভাবিকে নিয়ে এসেছে। তার মা প্রথমে রাগান্বিত হয়ে বলছিল বাবা তুই এটা কি করলি। আমাদের না জানিয়ে না বলে এটা কি করলি তুই। ফাহিম বলে মা ও তো আমার বান্ধবি শুধু। তুমি এমন করছো কেন? তার মায়ের কথা শুনে জেরিন রেগে যায়। জেরিনের চোখ দুটো বড় হয়ে যায়। ফাহিম কানে কানে বলে শান্ত হও। সব ঠিক হয়ে যাবে।


ফাহিম কিছুক্ষণ পর জেরিনকে এগিয়ে দিতে বাড়ি থেকে বের হয়। জেরিন বলে থাক আমি একাই যেতে পারবো। একথা শুনে ফাহিম বলে  না, না এখন রাতের বেলা। তুমি কি যেতে পারবে? জেরিন বলে সে নাকি একাই বাড়িতে যেতে পারবে। তাই কিছুদূর এগিয়ে দেওয়ার পর ফাহিম বাড়িতে চলে আসে। তার মা তাকে বলে পৌছে দিয়েছিস তো। ফাহিম বলে হ্যাঁ মা সমস্যা নেই। তার মা জেরিনকে মানতে পারেনি। তিনি এই মেয়েকে কিছুতেই ছেলের বউ হিসেবে মেনে নিবে না। মেয়েটি বাড়ি থেকে চলে গিয়েছে ভালো হয়েছে। এদিকে ফাহিম তো মহাখুশি। তার ভালোবাসার মানুষটিকে বাড়িতে নিয়ে এসেছিল। যাক ভালোই হয়েছে।


সেদিন রাতে সবাই ঘুমিয়ে আছে, হঠাৎই ফাহিমের মায়ের ঘুম ভেঙ্গে যায়। সে ঘুম থেকে জেগে উঠে। ওয়াশরুমে যাবার প্রয়োজন পরলে তিনি দরজা খুলে বাহিরে বের হয়। ওয়াশরুম থেকে আসার পর তিনি খেয়াল করেন , এইমাত্র ফাহিমের রুম থেকে জেরিনকে বেরিয়ে বের হয়ে যেতে দেখে। তিনি ভয় পেয়ে যায়,ছএতো রাতে মেয়েটি এখানে কি করে? মেয়েটি তো সন্ধাবেলা বাড়িতে চলে গিয়েছিল। তাহলে এতোরাতে এখানে কি করছে মেয়েটি। তিনি মেয়েটির পিছু নেয়। হাটতে হাটতে কখন যে তিনি একটা জঙ্গলের ভেতর চলে আসে। তার সেদিকে খেয়ালই নেই। তিনি সাহস করে মেয়েটিকে ডাক দেয়। কে তুমি এতো রাতে এখানে কি করছো? মেয়েটি কোনো সাড়া দেয় না। আবারো তিনি ডাক দেয়। আর তখনই তিনি ভয়ানক কিছু দেখে। তিনি দেখে জেরিন অনেক ভয়ানক হয়ে উঠেছে। তার মাথার চুলগুলো বাতাসে উড়ছে। পড়নে সেই নীল শাড়িটাই আছে। তিনি ভয় পেয়ে দৌড়াতে থাকে। ভয়ানক দেখতে সেই মেয়ে টি ভয়ানকভাবে হাসতে থাকে।


তিনি আর পেছনে তাকিয়ে দেখার সাহস পায়নি। দৌড়ে ঘরে ডুকে পরেন। তিনি ভাবেন এটা কি দেখলাম আমি। তিনি খুবই ভয় পায়। সেই রাতে আর তিনি দরজা খুলে বাহিরে বের হবার সাহস পায়নি। পরদিন সকালে তিনি ফাহিমকে ডেকে বলে, বাবা গতকাল রাতে কি তোর রুমে কেউ এসেছিল?ছফাহিম বলে না তো মা। আমার রুমে তো কেউই আসেনি। কেন কি হয়েছে মা? তার মা কিছু বলে না। ফাহিম যথাসময়ে খাওয়াদাওয়া করে কলেজে চলে যায়। কলেজে আজ জেরিনের সাথে তার দেখা হয়। জেরিন বলে তোমার মা কি তোমাকে কিছু বলেছে? ফাহিম বলে কই নাতো কিছুই বলেনি। কেন? জেরিন বলে আমার মনে হয় আমাকে তোমার মা পছন্দ করেনি। তিনি চান না আমি তার ছেলের বউ হয়। ফাহিম বলে ঘর করব আমি তোমার সাথে। কার কি আসে যায়, সেটা আমার দেখার বিষয় না।


জেরিন বলে তুমি আমাকে কথা দাও যে কোনোদিন আমাকে ছেড়ে যাবে না। ফাহিম বলে দূর পাগলি চিন্তা করো না। আমি তোমাকে ছেড়ে যাওয়ার জন্য তো আর তোমার হাতটা ধরিনি। তোমাকে এই বুকে সারাজীবন আগলে রাখবো। এদিকে ক্লাস শুরু হয়ে যাওয়াতে তারা দুজনেই সেখান থেকে ক্লাস করতে চলে যায়। কলেজ ছুটি হলে তারা একসাথে বের হয়। দূর থেকে নুরি তাদের দেখে অবাক হয়। আরে ফাহিমের আইডিয়া তো দারুন কাজ করেছে। তবে...? তবে নুরি কিছুটা অবাক দৃষ্টি তে তাদের দুজনের দিকে তাকায়। আর মনে মনে ভাবে, আরে আমি তো সেদিন ফাহিমকে জেরিনের মাথার চুল দেইনি, রাস্তা থেকে কুড়িয়ে পাওয়া চুলগুলো দিয়েছিলাম। তাহলে এটা কি করে সম্ভব? যে জেরিন সত্যিই ফাহিমকে ভালোবেসে ফেলেছে। তাকে ছাড়া এখন সে কিছুই বুজে না।


সে ভাবে জেরিনের মাথার চুল দিয়ে ফাহিম কালোজাদু টাইপের কিছু করে জেরিনকে কাছে পেতে চেয়েছিল। জেরিনের নাম ঠিকানা ছবি ও মাথের চুল লাগবে। আমি তো সেদিন ছবি দিয়েছিলাম, জেরিনের মাথার চুল দেইনি,,, তারপরেও কি করে জেরিন ফাহিমের প্রতি প্রভাবিত হলো। বেপারটা নুরির কাছে খটকা লাগে। যাই হোক নুরি ছবি তো দিয়েছিল। হয়তো ছবি দিয়েই কাজ হয়েছে। নুরি সেদিনের মতো বাড়িতে চলে যায়। ফাহিম ও জেরিন অনেকটা পথ একসাথে গল্প করতে করতে আসে। একসময় বিদায় নিয়ে দুজনেই বাড়িতে চলে যায়। সেদিন রাতে নুরি রান্নার কাজে তার মাকে সাহায্য করছিল। তার মা রান্নাঘরে রান্নার কাজে বিজি। নুরি প্রয়োজনীয় জিনিস আনতে রুমে যায়। তার কাছে কেমন যেন মনে হচ্ছে,তার রুমে কেউ আছে। নুরি তার রুমে এই সন্ধাবেলা কারো অস্তিত্ব টের পেয়ে খুবই ভয় পায়। তার কাছে মনে হলো এই মাত্র কেউ যেন ঘরের এক পাশ থেকে আরেক পাশে চলে গেল। নুরি হঠাৎই খেয়াল করে তার বেডরুমে কেউ দাড়িয়ে আছে। 


ভালো করে দেখে বুঝতে পারে এটা তো একটা মেয়ে। পেছন থেকে দেখে চেনা যাচ্ছে না।  তাই সে সামনে গিয়ে দেখে,এটা তো জেরিন। জেরিনের মাথা থেকে র*ক্ত পরছে। চেহারা টাও খুবই ভয়ানক লাগছে। সে এটা দেখে খুবই ভয় পায়। এতোটাই ভয় পায় যে ভয় পেয়ে চিৎকার দিয়ে ঘর থেকে বের হতে গিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা লেগে মাটিতে পরে যায়। নুুরি মাথায় প্রচন্ড আঘাত পায়। সেখানেই চিৎকার দিয়ে অচেতন হয়ে পরে। তার মা দৌড়ে আসে। দেখে নুরি মাটিতে পরে আছে। তার মায়ের চিৎকার চেঁচামেচি তে পাশের বাড়ির সবাই চলে আসে। কয়েকজন মিলে নুরি কে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তার মা ও তার ভাই হাসপাতালে যায়। নুরিকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। মাথায় অতিরিক্ত আঘাত লাগার কারনে নুরির জ্ঞান ফিরে না। আর অন্য দিকে ফাহিম সেদিন সন্ধায় বাড়িতে চেয়ারে বসে আছে। হঠাৎই তার মনে হয়,পেছন থেকে কেউ তার ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে।


নুরির মাথায় বেশি আঘাত লাগার জন্য তার জ্ঞান ফিরছে না।সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। অন্য দিকে ফাহিম ঘরে বসে আছে।সন্ধার পর, সে একটা চেয়ারে বসে পড়তেছে। হঠাৎই ফাহিম অনুভব করে, তার কাছে মনে হয় তার পেছন থেকে তার ঘাড়ে কেউ নিশ্বাস ফেলছে। ফাহিম ভয়ে ভয়ে পেছন ফিরে দেখে কেউ নেই। আশ্চর্য এইমাত্রই তো মনে হলো তার ঘারে কেউ নিশ্বাস ফেলছে। সে তার ছোট বোনকে ডেকে জিজ্ঞেস করে কিরে তুই কি এইমাত্র আমার পেছনে দাড়িয়েছিলি? তার বোন বলে কই না তো! আমি তো মার কাছ থেকে আসলাম কেবল। ফাহিম আশেপাশে খুঁজে দেখে কেউ নেই। সে খুবই অবাক হয়। এমনে হলো কেউ একজন তার ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলেছে। এখনই দেখে কেউ নেই। সে মনে মনে ভাবে, ইদানিং তার সাথে কি সব আজব ঘঠনা ঘঠছে!


সে পড়া বাদ দিয়ে রাস্তায় হাটতে বের হয়। বাজার থেকে একটু ঘুরে আসা যাক। কিছুক্ষণ পর সে পাশের বাড়ির লিখনের সাথে হাটতে হাটতে বাজারের দিকে যেতে থাকে। লিখন বলে কিরে তুই নাকি গতকাল সন্ধায় তোর হবু বউ মানে ভাবিকে বাড়িতে নিয়ে এসেছিলি? ফাহিম বলে এটা তোকে কে বলেছে? লিখন বলে বা রে আমরা বুঝি জানিনা। তুই ডুবে ডুবে পানি খাবি। আমরা জানবো না তা কি করে হয়। ফাহিম বলে বাদ দে তো এসব। আচ্ছা তোর মায়ের কি খবর। এখন তোর মায়ের শরীর টা কেমন আছে? লিখন বলে নারে মায়ের শরীরটা ইদানিং ভালো যাচ্ছে না। দোয়া করিস মায়ের জন্য। দুজনে একসময় বাজারে পৌছে যায়। চা পান করে দুজনেই বাড়ির পথে পা বাড়ায়। আধো আলো আধো অন্ধকারে দুজনের হেটে যাচ্ছে। হঠাৎই পেছন থেকে  মেয়েলী কন্ঠে কে যেন ফাহিমকে ডেকে উঠে।


ফাহিম থেমে যায়। লিখন তো কথা বলতে বলতে সামনের দিকেই যাচ্ছে। হঠাৎ লিখন খেয়াল সে তো ফাহিমকে পেছনে রেখে অনেকটা পথ সামনে চলে গিয়েছে। লিখন খেয়াল করে ফাহিম তার দিকে না এসে পেছনের দিকে যাচ্ছে। লিখন ভাবে আরে ফাহিম তাকে ফেলে পেছনের রাস্তায় যাচ্ছে কেন? লিখন পিছু পিছু যায়। সে দেখে ফাহিম যেন কার সাথে কথা বলছে। লিখন কাছে যেতেই ফাহিম স্বাভাবিক হয়। কিরে ফাহিম তোকে অনেক্ষণ যাবত ডাকছি। তুই শুনছিস না। তোর কি হয়েছে রে? ফাহিম বলতে চেয়েও বলে নারে কিছু না।এআমার আমার মাথাটা কেমন করছিল বলে তারা সামনের দিকে হাটতে থাকে।


আসলে কিছুক্ষন পূর্বে যে মেয়েটি ফাহিমকে ডেকেছিল, সে আর কেউ নয়। সে মেয়েটি জেরিন ছিল। সে ভাবে এসব আমার মনের ভূল হবে হয়তো। কারন আমি তো সবসময়ই জেরিনকে নিয়ে ভাবতে থাকি। তাই হয়তো আমার সাথে এসব ঘটছে। দুজনেই একসময় বাড়িতে চলে যায়। ফাহিম আজ একটু তারাতারি শুয়ে পরে। আজ তার কিছু ভালো লাগছে না। তার খুব পানি পিপাসা পেয়েছে। দূরু আজ তো ঘরে পানি আনতে ভূলে গেছি এটা ভাবতেই সে দেখে এক গ্লাস পানি হাতে জেরিন দাড়িয়ে আছে। তার ঠিক পাশেই। ফাহিম কোনোকিছু না ভেবে গ্লাসটি হাতে নেয় সবটুকু পানি পান করে তাকিয়ে দেখে,আরে এখানে তো কেউ ছিল না। তাহলে পানির গ্লাস আসলো কোথা থেকে?


আর আমাকে কে পানি দিল? সেখানে কেউ নেই। আরে এইমাত্র তো এখানে কেউ ছিল কিন্তু এখন কোথায় গেল? এটা ভেবে সে  ঘাড় ঘুরিয়ে দেখে তার ঠিক পাশেই জেরিন বসে আছে। ফাহিম চমকে উঠে। আরে তুমি? তুমি? এতো রাতে এখানে কি করো? এখানে আসলে কখন? জেরিন বলে আমি তো সবসময়ই তোমার হৃদয়ের মাঝখানে গেঁথে আছি। তাই তো যখন তখন আমি তোমার কাছে চলে আসি। আমি তোমার কল্পনা, তোমার বাস্তব, তোমার স্বপ্ন , সবজায়গাতেই আমি আছি। ফাহিম কিছু বলার আগেই দেখে তার ঘরের দরজায় তার মা দাড়িয়ে আছে। মানে তার মা দরজায় দাড়িয়ে ফাহিমের দিকে তাকিয়ে আছে। ফাহিম তার মাকে এখানে দেখে চমকে উঠে। সর্বনাশ জেরিনকে এখানে দেখে মা কি ভাববে। মা তু....তু ...তুমি? তুমি এখানে কি করছো? তার মা বলে দেখতে এলাম তুই কি করছিস। আচ্ছা বাবা তোর ইদানিং কি হয়েছে বলতো। মাঝেমধ্যে তুই একা একা কার সাথে কথে বলিস। বিরবির করিস! 


>>বিরতি<<<


প্রিয় পাঠক/পাঠিকা আপনারা এখন পড়ছেন, ভৌতিক গল্প পেইজে প্রকাশিত গল্প “কালোজাদু” গল্পের তৃতীয় পর্ব। ভৌতিক গল্পের আরো অন্যান্য গল্প পড়তে "ভৌতিক গল্প" পেইজটি ফলো করে সাথেই থাকুন।


ফাহিম পাশে তাকিয়ে দেখে সেখানে জেরিন নেই।  ফাহিম ভয় পেয়ে যায়। আরে এইমাত্র না এখানে জেরিন বসেছিল! তাহলে এখন সে কোথায় গেল। যাক তার মা তো কিছু দেখেনি। তার মাথায় এটা কিছুতেই ডুকছে না যে, আচমকাই জেরিন কোথা থেকে আসে। আবার অদৃশ্য হয়েও যায়। এটা তার সাথে হচ্ছে টা কি ! একসময় তার মা চলে যায়। এক সময় সবাই ঘুমিয়ে পরে। হঠাৎই ফাহিম দেখে জেরিন প্রচন্ডভাবে কান্না করছে। সে বারবার বলছে ফাহিম আমাকে বাঁচাও। আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। বাঁচাও আমাকে। হেল্প হেল্প। আমাকে হেল্প করো।  দেখতে দেখতে ফাহিমের সামনে জেরিন মাটিতে পরে যায়, জেরিনের মাথায় বিরাট এক ক্ষ *তে*র চিহ্ন। সেই ক্ষ*তস্থান থেকে র*ক্ত বেরিয়ে মাটিতে পরছে। জেরিনের চেহারাটাও কেমন যেন কালো হয়ে যাচ্ছে। কেমন যেন ভয়ানক হয়ে যাচ্ছে। ফাহিম এটা দেখে খুবই ভয় পায়।


একসময় জেরিন ভয়ানক একটা রুপ ধারন করে তার সামনে দাড়িয়ে পরে। তাকে মা*রা*র জন্য ভয়ানক ভাবে তার দিকে তেড়ে আসে। এটা দেখে ফাহিম ভয়ে কাঁপতে থাকে। আর তখনই কার ঘুম ভেঙ্গে যায়। উফ্ বাচা গেল। তাহলে এটা স্বপ্ন ছিল। কি ভয়ানক স্বপ্ন। ফাহিমের গলা শুকিয়ে যায়। পানি পান করতে সে বিছানা ছেড়ে উঠে। ওহু ঘরে তো একটু পানিও নেই, একটু পানি পান করলে গলাটা ভিজতো। সে রুমের দরজা খুলে বাহিরে টিউবওয়েল থেকে পানিভর্তি জগটা নিয়ে ঘরের দিকে আসতেই যাবে, ঠিক তখনই ঘরের দিকে ঘুরতেই সে তার সামনে জেরিনকে দেখতে পায়। ফাহিম এইবার জেরিনকে দেখে খুবই ভয় পায়। কারন এইবার জেরিনের মাঝে অদ্ভুত ধরনের চাহনি দেখতে পায়। সে ভালো করে খেয়াল করে জেরিনের মাথা থেকে র*ক্ত পরছে।


কি বিভৎস চেহারা জেরিনের। এটা দেখে ফাহিম ভয়ে চিৎকার দিয়ে পানির জগটি ফেলে দৌড়ে ঘরে প্রবেশ করে। রুমে ডুকে তারাতারি দরজা লাগিয়ে সে হাঁপাতে থাকে। কি ছিল এটা! যে বারবার তার সামনে আসছে। তাও জেরিনের রুপ ধারন করে। ভাবতেই কেমন যেন গায়ে কাটা দিয়ে উঠে। ফাহিম তার মাকে ডাক দিলে, তার মা উঠে আসে। তার মা দরজার সামনে এসে কয়েকবার ডাক দিলে ফাহিম ভয়ে ভয়ে দরজা খুলে। ফাহিম ভাবে সেই ভয়ানক দেখতে অবয়বটি না আবার তার মায়ের রুপ ধারন করে তার সামনে চলে আসে। সে দেখে তার মা তার দিকে কেমন যেন অদ্ভুত ভাবে তাকিয়ে আছে।  তার মা আস্তে আস্তে তার দিকে এগিয়ে আসছে। এ্্্্কি ! তার মায়ের মাথা থেকেও তো র *ক্ত পরছে। তার মানে? ফাহিম ভয়ে চিৎকার দিয়ে দৌড়ে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। পাশের রুমে তার মা ঘুমাচ্ছে। সে দেখে পাশের রুমের দরজা ভেতর থেকে লক করা। ফাহিম ভাবে যদি তার মা দরজা খুলে তার রুমে আসতো তাহলে তো পাশের রুমের দরজাটি খোলা থাকতো।


ফাহিম দেখে তার রুম থেকে জেরিন বেরিয়ে আসছে। আহা কি ভয়ানক দেখতে। পোশাকে বুঝা যাচ্ছে এটা জেরিন কিন্তু দেখতে কোনো দিক থেকে তাকে জেরিনের মতো লাগছে না। ফাহিম ভয়ে দৌড়াতে থাকে। দৌড়াতে দৌড়াতে সে এক সময় রাস্তায় চলে যায়। মাঝরাতে রাস্তা কেমন ফাকা থাকে,কেউ নেই আশেপাশে। জেরিনের মতো দেখতে সেই ভয়ানক অবয়বটি তার পিছু নিয়েছে। সে যেখানেই যাচ্ছে। ভয়ানক সেই অবয়ব টিও সেখানেই আসছে। ফাহিম ভাবে হঠাৎই জেরিনের কি হয়ে গেল। এটা তো আমার জেরিন না। ফাহিম থেমে যায়। সে অবয়বটিকে জিজ্ঞেস করে কে তুমি? আমার পিছু নিয়েছো কেন? ভয়ানক দেখতে সেই অবয়ব টি হাসে। ভয়ানক সেই হাসি। আমাকে দেখে ভয় পাচ্ছো কেন? তুমি তো আমাকে কাছে পেতে চাও তাইন। তাহলে আমাকে দেখে কোথায় পালাচ্ছো? ফাহিম বলে না না!!! তুমি জেরিন না। তুমি আমার জেরিন হতেই পারো না। তুমি কে? সত্যি করে বলো। একথা শুনে জেরিনের মতো দেখতে ভয়ানক সেই মেয়েটি হাসতে থাকে।


ফাহিম বলে তুমি কি চাও? আমাকে কেন ভয় দেখাচ্ছো? অবয়বটি হাসতে হাসতে বলে বা_রে তুমিই তো আমাকে তোমার কাছে পেতে চাও। আমাকে বিয়ে করে জীবন সঙ্গি করতে চাও। তাহলে কাছে আসোনা। ফাহিম দেখে সেটি তার দিকেই আসছে। জেরিনের মাথা থেকে প্রচন্ড র*ক্ত*ক্ষ*রন হচ্ছে। মুখটা থে*ত*লে আছে। মাথা থেকে অনবরত র*ক্ত বের হচ্ছে। জেরিনকে দেখতেও ভয়ানক লাগছে। ফাহিম ভয়ে আবারো দৌড়াতে থাকে। এবার সে বাড়ির দিকে দৌড়ায়। দৌড়াতে দৌড়াতে একসময় সে তার বাড়িতে চলে আসে। বাড়িতে এসেই দেখে তার মা বাহিরে দাড়িয়ে আছে। সাথে তার ছোট বোনটিও দাড়িয়ে আছে। ফাহিমকে এই অবস্থায় দেখে তার মা বলে বাবা তোর কি হয়েছে? তুই এমন করছিস কেন?


ফাহিম ভয়ে ভয়ে বলতে থাকে মা আমাকে বাঁচাও। আমাকে বাঁচাও মা। তার মা বলে বাবা কি হয়েছে তোর? আমাকে খুলে বল বাবা। ফাহিম তার মাকে সবকিছু খোলে বলে। তার মা একথা শুনে ভয় পেয়ে যায়। কি বলিস তুই এসব?জেরিন আবার ভূত হবে কেন? ফাহিম বলে আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। তার মা অনেক ভাবনায় পরে যায়। পরে সেই রাতে আর তেমন কিছু ঘটেনি। পরদিন ফাহিম কলেজে যায়। আজ জেরিন কলেজে আসেনি। ফাহিম জেরিনকে খুব মিস করছে। জেরিনকে ছাড়া তার কিছুই ভালো লাগছে না। তাই সে ঠিক করে আজ সে জেরিনের বাড়িতে যাবে। যেই ভাবা সেব কাজ,ফাহিম বিকেল বেলা জেরিনের বাড়ির উদ্দেশ্য বেরিয়ে পরে। ফাহিম একসময়  জেরিনের বাড়িতে পৌছে যায়। সে দেখে বাড়িতে দুজন মহিলার সাথে জেরিনের মা ও তার কাকি দাড়িয়ে আছে। ফাহিম সালাম দিয়ে বলতে থাকে আন্টি আজ জেরিন কলেজে যাইনি কেন?


ফাহিমের কথা শুনে জেরিনের মা বলে বাবা তুমি কি বলছো এসব! জেরিন কলেজে যাবে কিভাবে? জেরিন তো এক সপ্তাহ ধরে অসুস্থ! সে তো বিছানা থেকেই উঠতে পারছে না। জেরিনের মায়ের মুখে এই কথা শুনে ফাহিম খুবই ভয় পেয়ে যায়। তারও চেয়ে বেশি অবাক হয়। সে বলে না আন্টি জেরিন তো প্রতিদিন কলেজে গিয়েছে। সে তো প্রতিদিনই আমার সাথে দেখা করেছে। তার মা বলে বাবা তুমি হয়তো কোথাও ভূল করছো। বললাম তো জেরিন সাপ্তাহ খানিক হলো কোথাও যায়নি। এমনকি জেরিনকে ধরে ধরে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নেওয়া লাগে। ফাহিম জেরিনের রুমে ডুকেই অবাক হয়ে যায়। সে দেখে জেরিন বিছানায় শুয়ে আছে। জেরিনের এরূপ অবস্থা দেখে ফাহিম খুবই কষ্ট পায়। 


ফাহিম ভাবে যদি সাত দিন ধরে জেরিন অসুস্থ হয়ে বিছানায় পরে থাকে, তাহলে এই সাতদিন তার সাথে কে দেখা করেছে! কে তার সাথে কথা বলেছে! কে তার বাড়িতে তার মায়ের সাথে দেখা করেছে! কে তার সাথে হাতে হাত রেখে পথ চলেছে। সে খুবই অবাক হয়। এসব ভাবতে ভাবতে সে জেরিনের দিকে তাকায়, জেরিন খুবই অসুস্থ। চেহারা টা কি মায়া মায়া লাগছে। ফাহিম জেরিনের কাছে গিয়ে তার একটা হাত ধরে কান্না করতে থাকে। জেরিন,,,,এই জেরিন,,,কি হয়েছে তোমার? দেখো আমাকে...! আমাকে দেখো জেরিন! জেরিন ফাহিমের দিকে ফিরেও তাকায় না। জেরিনের এরূপ বেহাল অবস্থা দেখে ফাহিম কান্না করতে থাকে। হায় আল্লাহ এ তুমি আমাকে কোন বিপদে ফেললে। জেরিন দেখো আমার দিকে। তখনই পাশে থেকে জেরিনের মা বলে বাবা এখন মাইয়াডারে বিরক্ত করো না। ডাক্তার বলেছে কিছুদিন একা থাকতে। তুমি এখন যেতে পারো। ফাহিম কান্না জ্বড়িত কন্ঠে বলতে থাকে, জেরিন তোমার কি হয়ে গেল! আমি তোমাকে ভালোবাসি জেরিন। অনেক অনেক ভালোবাসি তোমাকে। এসব কথা বলতে বলতে ফাহিম কান্না করতে থাকে।


না,না আমি তোমার কিছু হতে দেবো না। আমি তোমার চিকিৎসা করাবো। তোমার কিছুই হবে না বলেই সে কান্না করতে থাকে। এই কয়দিনে ফাহিম জেরিনকে অনেক বেশি ভালোবেসে ফেলেছিল। তাই সে বারবার বলতে থাকে,আমি থাকতে তোমার কিছু হবে না। আমি আবার আসবো জেরিন। ফাহিমের এসব কথা শুনে সেখানে থাকা সবার চোখেই পানি চলে আসলো।

ফাহিম কাধতে কাধতে জেরিনের রুম থেকে বের হয়ে যায়। বাড়িতে আসার পথে সে ভাবে এতোদিন যদি জেরিন অসুস্থ হয়ে বিছানায় পরে আছে। তাহলে আমি এতোদিন কার সাথে মিশেছি। কার সাথে সময় কাটিয়েছি। এসব ভাবতে গিয়ে তার গায়ে কাটা দিয়ে উঠে।


চলবে…


(চতুর্থ পর্ব আসবে আগামীকাল রাত নয়টায় )


গল্পটি আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে, তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আপনার একটা কমেন্টই ভৌতিক গল্পকে নতুন গল্প লিখতে উৎসাহীত করবে। কেননা আমরা আপনাদের কমেন্ট গুলো পর্যবেক্ষণ করে থাকি। আর একটা কথা, আপনার আশেপাশে পরিচিত যারা ভৌতিক গল্প পড়তে পছন্দ করে। তাদেরকে ভৌতিক গল্পে আমন্ত্রন করে গল্প পড়ার সুযোগ করে দিন। যাতে তারাও গল্পগুলো পড়তে পারে। সবাইকে ভৌতিক গল্পের বেপারে জানান ও ভৌতিক গল্প পড়তে উৎসাহিত করুন। দেশ ও দেশের বাইরে, যে যেখান থেকে ভৌতিক গল্প পড়ছেন, সবাইকে অসংখ ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন,অতিশিগ্র আবারো নতুন কোনো গল্প নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হবো।


কপিরাইট: গল্পটির সমস্ত লেখায় লেখকের নিজস্ব লেখা। তাই গল্পটি কপি করে কোথাও পোষ্ট করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। 


গল্প : কালোজাদু (তৃতীয় পর্ব) 

লেখক : সাখাওয়াত হোসেন ( সাজু)

প্রকাশ : ২৫এপ্রিল ২০২৪, বৃহস্পতিবার

সময়: রাত ০৯:০০টায়

পূনঃরায় পোষ্ট : “কালোজাদু” গল্প 

ক্রেডিট : ভৌতিক গল্প 

Gmail : mdsazumia6432@gmail.com


#ভূতের_গল্প #কালোজাদু #ভূতেরগল্প #highlightseveryone #foryoupageシ #কালোজাদু_লিংক #rpambg19 #সাখাওয়াত হোসেন ( সাজু) #ভূতেরভয়ংকরগল্প #virals #foryou #foryourpage #horrorstory #bhoothfm #bhoot #horror_story #ghost #কালোজাদু_ভৌতিক_গল্প #viralposts  #সাখাওয়াত হোসেন ( সাজু)  #viralpage #viralpost #Anwar_hossain

[5:53 AM, 4/26/2024] Md Sazu Mia: বিয়ে করতেছেন একটু ভাবুন🙂


আপনার বয়স যখন ৩০ বছর,তখন আপনি ১৪/১৫ বছরের একটা মেয়েকে বিয়ে করছেন।বয়সের তফাত টা একবার চিন্তা করলেন না।একটু চিন্তা করে দেখুন...


আপনি ২০ বছর পর যখন ৩০ থেকে ৫০ বছরে যাবেন তখন আপনার s*xual ability কতটা থাকবে?


At that time

আর তখন আপনার বউ ১৪ থেকে ৩৪ বছরে যাবে তখন তার s*xual ability কতটা হবে??


একবার ও ভেবে দেখছেন না,,,


আপনার যখন যৌবন ফুরায় যাবে তখন আপনার বউ যৌবনের সাগরে ভাসবে।


বিয়ে করেন। কিন্তু বয়সের এতটা Difference কেনো।।


শুধুমাত্র বয়সের এতটা Difference 

এর জন্য আজ সমাজে পরকীয়া বেড়ে যাচ্ছে।


বিয়ের ক্ষেত্রে বয়সের এত পার্থক্য সংসার জীবনের উপরও প্রভাব ফেলে।


আপনার ৩০ বছরের জ্ঞান আর তার ১৪ বছরের জ্ঞান কখনই সমান হবে না।


যদি সুখের বিয়ে করতে চান অবশ্যই নিজের সমান কাওকে বিয়ে করুন। or ৪-৫ বছরের পার্থক্য করুন,,এর বেশি না।।


আর একটা বিষয় আপনার বউ আপনার চেয়ে বয়সে বড় হলে কোনো সমস্যা নেই।পরকীয়ায় জড়াবে না।।


এমন মন মানসিকতা কেন আজ আপনাদের,


আপনি অনার্স মাস্টার্স শেষ করে Job পেয়ে বিয়ের জন্য খুজবেন ক্লাস ৯/১০ এর মেয়ে।।


যে সব মেয়েরা অনার্স মাস্টার্স পড়ছে বা শেষ করেছে তাদের কে বিয়ে করুন সুখে থাকবেন। ইনশাআল্লাহ 


বিয়ের ক্ষেত্র এই বয়সের Difference টা ত্যাগ করা উচিত এবং same age বিয়ে করার চেষ্টা করা উচিত।।


সমবয়সী কাউকে বিয়ে করুন।বন্ধুর জায়গাটাও পূরণ হবে🖤


সাখাওয়াত হোসেন সাজু




 

0 Reviews:

Post Your Review