Saturday, May 4, 2024

Md Sazu Mia

 


ভূত বর

তৃতীয় পর্ব

#সাখাওয়াত হোসেন সাজু


© ভৌতিক গল্প (গল্পটি এডমিনের অনুমতি ছাড়া কোথাও পোষ্ট করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। যদি কেউ এডমিনের অনুমতি ব্যতিত গল্পটি কপি করে কোথাও পোষ্ট করে, তাহলে সে “অমানুষ” ও চোর বলে গন্য হবে। কথাগুলো আপনাদের কাছে খারাপ লাগতে পারে, তাই দুঃখিত! কথাগুলো শুধুমাত্র চো-রদের উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে। যাদের কাজই অন্যের গল্প কপি করে পোষ্ট করা)নিত্য-নতুন গল্প পড়তে আমাদের Websites  ফলো করে পাশেই থাকুন।


গল্পের শুরু এখান থেকে 👇👇

এতোদিন অন্তরা ফোনে কথা বলে সাজুর সম্পর্কে অনেককিছুই জেনেছে। আজ হঠাৎই ছেলেটার কি হয়ে গেল! সাজুর মা তার কাছে গেলে সাজু চোখ বড় করে বলতে থাকে সাবধান আমাকে জ্ঞান দিতে আসবি না বলছি। তোরা নারী জাতি। তোদের চেয়ে আমার জ্ঞানের পরিধি অনেক উর্ধ্বে।  সাজুর মুখে এসব কথা শুনে সেখানে থাকা সবাই ভয় পেয়ে যায়। হঠাৎই সাজু মাথা ঘুরিয়ে সেখানেই পরে যায়। সাজুকে মাটিতে পরে যেতে দেখে অন্তরা দৌড়ে গিয়ে তাকে ধরে। একটুর জন্য সাজুর কিছুই হয়নি। অন্তরা সময়মতো না ধরলে তার বড়সড় ক্ষতি হয়ে যেতো। সাজুকে ধরে রুমে নেওয়া হয়। তার মাথায় কিছুক্ষন পানি ঢালতেই তার জ্ঞান ফিরে। সে চোখ মেলে তাকাতেই অন্তরা মুখে হাসি দেখা যায়। তোমার কিছু হয়নি তো।


সাজু অন্তরা একটা হাত শক্ত করে চেপে ধরে বলতে থাকে প্রিয়তমা আমার কিছুই হয়নি।

সাজু সুস্থ হয়ে যাওয়াতে সবাই খুশি হয়। সবচেয়ে বেশি খুশি হয় অন্তরা। অর্থাৎ দিনের বেলা সে ঠিকই থাকে কিন্তু রাত হলেই তার মাঝে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। রাত হলেই সে কেমন যেন অদ্ভুত আচরণ করতে থাকে। যা তার কাছে মোটেও ভালো লাগেনা। অন্তরা সাজুর এরকম আচরণ দেখে ভয় পায়। এভাবে কিছুদিন কেটে যায়। তারপর সাজু চাকরির সুবাদে শহরে ফিরে। তখন বাড়িতে অন্তরা একা। সে নীলাকে নিয়ে সারাক্ষণ গল্প করে। সাজু ও অন্তরার মধ্যে প্রায়ই ভিডিও কলে কথোপকথন চলে। সময় পেলেই সাজু অন্তরাকে কল দেয়। তার সাথে কথা না বললে সাজুর যেন ভালোই লাগেনা। তার সময়টা ভালো কাটেনা। হঠাৎ একদিন সাজু অন্তরাকে জানাই আমি বাড়ি আসছি। 


সাজু বাড়িতে আসবে এটা শুনে অন্তরা বেশ খুশি হয়। একা একা কি আর ভালো লাগে। সে সাজুর পছন্দের সবকিছু রান্না করে। পছন্দের পায়েস থেকে শুরু করে সবকিছুই রান্না করে। নীলা ও অন্তরা বসে গল্প করছিল। হঠাৎ এ সাজু অন্তরাকে পেছন থেকে স্পর্শ করে চমকে দেই। অন্তরা সত্যি সত্যি চমকে উঠে। সে বলেই ফেলে একি তুমি তো আমাকে ভয় পাইয়ে দিলে। তুমি জানো যে আমি কতোটা ভীতু তারপরও কেন তুমি আমার সাথে এমন করো। সাজু সরি বলে। আর এরকমটা হবে না। তারা সবাই খাবার টেবিলে বসে রাতের খাবার খাচ্ছে। সাজু খাবার খাওয়ার সময় খেয়াল করে, তরকারিতে একদমই লবন হয়নি। অন্তরা যখন তাকে জিজ্ঞেস করে তরকারি কেমন হয়েছে? তখন সে জবাব দেয় তুলনা হয় না। তোমার হাতের রান্না যে এত মজাদার সত্যি কোন তুলনা হয় না।অন্তরা বলে হয়েছে আর বাড়িয়ে বলতে হবে না। 


যদিও অন্তরা ও নীলা এখনো খাইনি। তারা একটু পরে খাবে। সাজু বেশি খিদে পেয়েছিল তাই সে খেয়ে নিয়েছে। পরক্ষণে যখন অন্তরা খেতে বসে। তখন সে বুঝতে পারে তরকারিতে একদমই লবণ হয়নি। সে খুবই অবাক হয়। লোকটা লবণ ছাড়া তরকারি খেয়েও কিভাবে এত প্রশংসা করল। আমার তো গলা দিয়ে খাবার নামছে না। কিভাবে পারলো লবণ ছাড়া তরকারি দিয়ে খাবার খেতে। যাক এটাই তো ভালোবাসা। নইলে অন্যান্য পরিবারে তরকারিতে লবণ কম পড়লে ঝগড়া বিবাদ এর সৃষ্টি হয়। অনেকে তো তাদের বউয়ের গায়ে হাত পর্যন্ত তুলে। সেই হিসেবে সাজু খুব খুব ভালো। সে তো উল্টো প্রশংসা করে ভাসিয়ে দিয়েছে। অন্তরা দৌড়ে সাজুর এর কাছে যায়। এই শোনো তরকারিতে লবণ কম হয়েছে তুমি এটা আমাকে বলোনি কেন? জবাবে সাজু হাসতে হাসতে বলে কোথায় আমি তো টের পাইনি। 


আমার কাছে তো তরকারি খুব মজা হয়েছে। সত্যি বলতে আমার খুব সৌভাগ্য যে তোমার মত বউ পেয়েছি যার হাতের রান্নাও খুব মজাদার। এরকম বউ কয়জনের কপালে জুটে। অন্তরা বলে সত্যিই তুমি খুব ভালো। পেছনে নিলা দাড়িয়ে তাদের কথোপকথন শুনছিল। সাজু নিলাকে একটা ধমক দিয়ে বলে যা এখান থেকে। দেখছিস আমরা স্বামী_স্ত্রী মিলে গল্প করছি। তুই তোর রুমে যা। নিলা তার রুমে যায়। এদিকে অন্তরা ও সাজু চুটিয়ে গল্প করে। সাজু বলে সাজলে তোমাকে বড্ড সুন্দর লাগে। যদিও তুমি এমনিতেই অনেক সুন্দরী। আর লাল শাড়িতে তোমাকে অনেক সুন্দর লাগে। অন্তরা বলে দাড়াও আমি এখনি শাড়ি পরছি। একথা বলেই সে কিছুক্ষণের মধ্েই সাজুগুজু সম্পন্ন করে। অন্তরার দিকে তাকাতেই সাজু অবাক হয়। এতো সুন্দর লাগছে তোমাকে। সে তো এক মুহুর্তের জন্য অন্তরার থেকে চোখ সরাতে পারছে না। সাজু দ্রুত অন্তরার কাছে যায়। সামনে একটি বড় আয়না। অন্তরা তখনও সাজু সামনে দাড়িয়ে আছে।


সাজু অন্তরার পেছনে গিয়ে দাড়ায়। আস্তে করে সে অন্তরার কাধে হাত রাখে। সাজুর স্পর্শ পেয়ে অন্তরার পুরো শরীরে শিহরণ বয়ে যায়। সে পেছন থেকে অন্তরাকে জড়িয়ে ধরে। কাধে আলতোভাবে চু*ম্ব*ন করে। তার ছোয়া পেয়ে অন্তরা কেমন যেন করছে। সে চোখ বন্ধ করে আছে। আর সাজু তাকে জড়িয়ে ধরে আছে। কানের কাছে সাজু ফিসফিস করে বলে সুন্দরী অনেকদিন হয়ে গেল তোমাকে আদর করা হয়না। আজ তোমাকে আদর বলতেই অন্তরা চোখ মেলে তাকাতেই আয়নাতে তার চোখ যায়। আর তখনি অন্তরা খুবই ভয় পেয়ে যায়। সে খেয়াল করে এই মুহুর্তে সাজু তাকে পেছন থেকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আছে। কিন্তু সাজু তাকে দেখা যাচ্ছে না। অন্তরা বুঝতে পারে। আর যায় হোক এটা তার স্বামী নয়। যদি এটা তার স্বামী হতো তাহলে আয়নাতে দেখা যেতো।


সাজু কোনোকিছু না বলে অন্তরাকে বিছানায় নিয়ে যায়। অন্তরা ভাবছে এখন কি করা যায়। এমনিতেও ভয়ে তার নাজেহাল অবস্থা। সাজু আস্তে করে অন্তরাকে বিছানায় শুইয়ে দেয়। আর যখনি সে অন্তরার উপর ঝাঁপিয়ে পরে তখনি অন্তরা কৌশলে সেখান থেকে সরে যায়। সে দ্রুত ঘর থেকে বের হতে গেলে সাজু অন্তরার শাড়ির আঁচল ধরে ফেলে। অন্তরা অনেক কষ্টে দরজা খুললেও শাড়িতে টান পরায় সে ঘর থেকে বের হতে পারে না। সাজু আস্তে আস্তে শাড়ির আঁচল ধরে টানতে থাকে। এদিকে অন্তরা অনেক চেষ্টার পরও নিজেকে ছাড়াতে পারছেনা। সাজু বলতে থাকে কি হলো সুন্দরী তুমি দূরে কেন! কাছে আসো বলছি। 


এই কদিন তো একা একা থেকেছো। এখন আমি তোমার সব একাকীত্ব দূর করে দেবো। কাছে এসো। অন্তরা অনেক চেষ্টার পর নিজেকে সাজুর হাত থেকে ছাড়াতে পেরেছে। তবে তার গায়ের শাড়ি এখন পুরোটাই সাজুর হাতে। অন্তরা অর্ধ বি/ব/স্ত্র হয়ে দৌরে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। সে ভয়ে চিৎকার করতে থাকে। তখন তার চিৎকারে সবাই জেগে উঠে। নিলা এসে তার ভাবির এই অবস্থা দেখে অবাক হয়ে যায়। একি ভাবি আপনার এই অবস্থা কেন? জবাবে অন্তরা বলে আমার ঘরে ভূত আছে। ভূত কথাটি শুনতেই সবাই অবাক হয়ে যায়। বলো কি বউমা বাড়িতে হঠাৎই ভূত আসলো কোথা থেকে। এই কথা বলে তার শাশুড়ি সাজুর রুমে যায়। সেখানে গিয়ে দেখে পুরো রুম খালি। সেখানে কেউ নেই। 


কি হলো বউমা। তুমি না বলেছিলে ঘরে সাজু আছে। কিন্তু আমি তো কাওকেই দেখছি না। ঘরে তো কেউই নেই। আর তোমার শাড়িটা এভাবে মাটিতে ফেলে রেখেছো কেন? শাড়িটা গুছিয়ে রাখলে কি হয়। অন্তরা ভয় পাচ্ছে।  তার শাশুড়ি বলছে বউমা রুমে আসো। তোমার তো শরীরে এখন ঠিকমতো কাপড়ও নাই। তারাতারি কাপড় পরে নাও। অন্তরা লজ্জা ও মনে ভয় নিয়ে রুমে প্রবেশ করে। সে দ্রুত কাপড় পরে নেয়। নিলা জিজ্ঞেস করে ভাবি ভাইয়া না এসেছিল! তাহলে ভাইয়া কোথায়? অন্তরা বলে তাই তো। আমারও একই প্রশ্ন।  তোমার ভাই তো এসেছিল সে কোথায় গেল। আর এতোক্ষন রুমে আমার সাথে কে ছিল! ভাবতেই তার গা শিওরে উঠে। তার শাশুড়ি জিজ্ঞেস করে কোথায় বউমা ঘরে তো কাওকেই দেখছি না। অন্তরা বলে কিন্তু সে তো এখানেই ছিল। 


একটু থামুন!

এই যে আপনাকেই বলছি। গল্প পড়ে কমেন্ট বক্সে Next/নেক্সট লেখার অভ্যাসটা ত্যাগ করুন। কেননা আপনি জানেন যে আমরা নিয়মিত গল্প দিয়ে থাকি। গল্প পোষ্ট করার সময় রাত ঠিক নয়টা। আর পরবর্তী পর্ব কবে কখন পোষ্ট করা হবে তা নিচে লেখা আছে। তাই আপনাকে হাতজোর করে বলছি কমেন্টে নেক্সট/next কথাটা লিখবেন না।


আমি আর এই ঘরে থাকবো না। এই ঘরে থাকলে আমার ভয় করে। নিলা বলে ভাবি আপনি ভয় পাবেন না। আপনি আমার সাথে আমার রুমে থাকবেন। তখনি দেখা যায় সাজু বাড়িতে ফিরেছে। অন্তরা সাজুকে দেখে দূরে সরে যায়। সাজু জিজ্ঞেস করে কি হলো তুমি এভাবে সরে গেলে কেন? জবাবে নিলা বলে ভাইয়া তোমার ঘরে নাকি ভাবি ভূত দেখেছে। ভূতের কথা শুনতেই সাজু হাসতে থাকে। সাজুর হাসি দেখে অন্তরা আবারো ভয় পেয়ে যায়। বেপার কি সাজু এভাবে হাসছে কেন! কোথাও সে নিজেই এখানে ভূত নয়তো  আবার! তার মা সাজুকে ধমক দিয়ে বলতে থাকে থাম বলছি। তোর এসব ভূত প্রেত খেলা আমার আর ভালো লাগছে না। যবে থেকে মেয়েটা এই বাড়ির বউ হয়ে এসেছে। তবে থেকে তোর এই ভূত প্রেত খেলা এখনো বন্ধ হয়নি। 


তুই তো আগে এমন ছিলি না। হঠাৎই তোর কি হয়ে গেল। মেয়েটা কতো আশা নিয়ে এ বাড়িতে এসেছে। কোথায় তাকে একটু সময় দিবি তা না সবসময়ই তোর ভূত আমাদের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। সাজু বলতে থাকে মা আমি তো ঠিকই আছি। এই যে দেখো আমি কোনো ভূত নয়। র*ক্তে মাংসে গড়া একজন মানুষ। তবুও তোমার বউমা কেন যে এসব মনগড়া গল্প বলছে। অন্তরা রেগে গিয়ে বলতে থাকে দেখো আমি কোনো মনগড়া গল্প বলছি না। আমার কথা বিশ্বাস না হলে তোমার বোন নিলাকে জিজ্ঞেস করে দেখো। আজ সন্ধার পর ঠিক তোমার মতোই একজন এসেছিল। সে আমার সাথে রুম পর্যন্ত গিয়েছিল। আর এটা শুধু আমি নয় তোমার বোন নিলাও দেখেছে। অন্তরার মুখে এসব কথা শুনে সাজু রেগে যায়। বলো কি তুমি! তোমার মাথা গেছে। নয়তো কোন পরপুরুষকে রুমে ডেকেছো! সাজুর মুখে এসব কথা শুনে অন্তরা আরো রেগে যায়। ছিঃ তুমি নি্জের বউয়ের নামে এসব বাজে কথা বলতে পারলে ছিঃ!


সাজুর মুখে এসব অশ্লীল কথা শুনে তার মা তাকে কষে একটা থা*প্প*ড় দেয়। আমার বউমা নিষ্পাপ। তাকে যদি আর একটা বাজে কথা বলেছিস তোর একদিন কি আমার একদিন। নিলা কিছু বলতে চাইলেও সাহস পাইনি। অন্তরা সাজুর এরূপ আচরন দেখে সত্যিই ভেঙ্গে পরে। সে তার শাশুড়িকে জড়িয়ে ধরে কান্না করতে থাকে। তার শাশুড়ি তাকে শান্তনা দিয়ে বলে কেঁদো না বউমা। সব ঠিক হয়ে যাবে। তুমি শান্ত হও বউমা। নিলা তার ভাবিকে বলে ভাবি আপনি কান্না করবেন না। দেখবেন সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। সাজু কাওকে কিছু না বলে তার রুমে চলে যায়। অন্তরা সেখানেই মাটিতে বসে পরে। দেখতে দেখতে অন্তরা সেখানে অজ্ঞান হয়ে যায়। কেননা সে বেশি কান্না করলেই অজ্ঞান হয়ে যায়। নিলা ও তার মা দুজনে মিলে অন্তরাকে ধরে রুমে নিয়ে যায়। এদিকে অন্তরার অজ্ঞান হয়ে যাওয়াতে সাজু কিছুই করে না। সে চুপ করে শুয়ে আছে।


 নিলা জলদি পানি নিয়ে আসে। খানিক সময় পানি ঢালতেই অন্তরার জ্ঞান ফিরে। সে বলতে থাকে আমার কি হয়েছিল! এতোকিছু হয়ে গেলো তবুও পাষণ্ড সাজু একটি বারের জন্যও অন্তরার কাছে আসেনি। অথচ এই সাজু একসময় অন্তরাকে কতোটা ভালোবাসতো। কতো রাত জেগে কথা বলতো। অন্তরা চোখ মেলে তাকিয়ে আছে শুধু। তার চোখজোড়া পানিতে টলমল করছে। সে কোনো কথায় বলছে না। একসময় সাজু রুম থেকে বেরিয়ে যায়। অন্তরা আড়চোখে সাজুর চলে যাওয়া দেখে। এই প্রিয় মানুষটা তার সাথে এমনটা করবে এটে অন্তরা কখনো কল্পনাও করতে পারেনি। সংসারে কোনো রাগ_অভিমান নেই। নেই কোনো ঝগড়া। শুধু শূুধু লোকটা কেন যে এমন করছে কে জানে! অন্তরা চোখের পানি মুছতে মুছতে বলতে থাকে,  আল্লাহ তুমি আমার কপালে কেন এমনটা রেখেছো? আমি কি অন্যায় করেছিলাম, যার শাস্তি স্বরুপ তুমি আমাকে এই পরিস্থিতিতে ফেলেছো। কান্নাজড়িত কন্ঠে সে বলতে থাকে আমার আর এসব ভালো লাগছে না।


চলবে….


(গল্পটির পরবর্তী অংশ আসবে আগামীকাল রাত ঠিক নয়টায়)


গল্পটি আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে,তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। গল্পটিতে সবার কমেন্ট আশা করছি। আপনার একটা কমেন্টই ভৌতিক গল্পকে নতুন গল্প লিখতে উৎসাহীত করবে। আমরা সবার কমেন্টই পর্যবেক্ষণ করে থাকি। আর একটা কথা, আপনার আশেপাশে পরিচিত যারা ভৌতিক গল্প পড়তে পছন্দ করে। তাদেরকে ভৌতিক গল্পে আমন্ত্রন করে গল্পগুলো পড়ার সুযোগ করে দিন। যাতে তারাও গল্পগুলো পড়তে পারে। সবাইকে ভৌতিক গল্পের বেপারে জানান ও ভৌতিক গল্প পড়তে উৎসাহিত করুন। তাতে আমরা আপনাদের প্রতি চির-কৃতজ্ঞ থাকবো।


কপিরাইট: গল্পটির সমস্ত লেখায় লেখকের নিজস্ব লেখা। তাই গল্পটি কপি করে কোথাও পোষ্ট করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। 


গল্প : ভূত বর (তৃতীয় পর্ব) 

লেখক : সাখাওয়াত হোসেন সাজু

প্রকাশ : ০৩মে ২০২৪, শুক্রবার

সময়: রাত ৯:০০টায়

Cradit : ভৌতিক গল্প

Gmail : mdsazumia6432@gmail.com


#ভূতের_গল্প #ভূতবর #highlightseveryone #foryoupageシ #ভূত_বর_গল্পের_লিংক #সাখাওয়াত হোসেন সাজু #ভূতেরভয়ংকরগল্প #ambg84 #virals #foryou #foryourpage #সাখাওয়াত হোসেন সাজু #ভূতবরগল্পেরলিংক #Horror_Story #horrorstory #BhootFM #bhoot #ghost #viralposts #viralpage #ভূতেরগল্প #ghoststory #ভূত_বর #mdsazumia6432@gmail.com84

No comments:

Post a Comment